নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের উদ্যমী ও মেধাবী তরুণ বিজ্ঞানীরা বিশ্বমঞ্চে দেশের পতাকা উড়াতে প্রস্তুত। আগামী ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ওয়ার্ল্ড ইনভেনশন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশনে (ডাব্লিউআইসিই) অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ডেলিগেশন।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন সংগঠনের সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মাহদীর ইসলাম। তিনি জানান, ড্রিমস অফ বাংলাদেশের ব্যানারে ১৮টি দলের হয়ে ৭০ জনেরও বেশি প্রতিযোগী, মেন্টর ও অভিভাবক প্রতিনিধি এ প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে ড্রিমস অফ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে বিশ্বদরবারে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি করাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক সম্মানজনক পুরস্কারসহ তিনটি স্বর্ণপদক অর্জন করেছে বাংলাদেশের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। নাসা, মাইক্রোসফট এবং রোবসাব এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।
মাহাদীর ইসলাম বলেন, এ বছর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বড় বাংলাদেশি ডেলিগেশন ডব্লিউআইসিই-এ অংশ নিচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল অর্জন। আমাদের খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।
তিনি আরও বলেন, ৫ম শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রযুক্তি বিশেষত রোবোটিকস ও অটোমেশন হবে প্রধান চালিকাশক্তি। ড্রিমস অফ বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো প্রোটোটাইপ পর্যায়ের উদ্ভাবন থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পর্যায়ের সমাধান তৈরি করে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা।
প্রতিযোগিতা আয়োজকদের তথ্য মতে, ডব্লিউআইসিই হলো একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিশ্বের তরুণ উদ্ভাবকরা তাদের গবেষণা, আবিষ্কার ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন করে। চলতি আসরে ২৭টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ড্রিমস অফ বাংলাদেশ ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে নিয়মিতভাবে তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করছে। প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, প্রতিযোগিতা ও আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে তারা আগামী দিনের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক তৈরিতে কাজ করছে।
Leave a Reply